পাটনা
জনপ্রিয় শিক্ষাবিদ ফয়জল খান, যিনি ‘খান স্যার’ নামে অধিক পরিচিত, তাঁর পাটনাস্থিত কোচিং প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও পাথর নিক্ষেপের ঘটনার শিকার হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে পুলিশ।
খান স্যারের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাঁর প্রতিষ্ঠানের দিকে গুলিও চালিয়েছিল। তবে পুলিশ এখনও পর্যন্ত সেই দাবি নিশ্চিত করতে পারেনি। মঙ্গলবার রাতে কদমকুয়ান থানার অন্তর্গত খান গ্লোবাল কোচিং ইনস্টিটিউটে এই ঘটনা ঘটে।
সিটি এসপির দফতর থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টা ১০ মিনিটে খান গ্লোবাল কোচিং ইনস্টিটিউটে পাথর নিক্ষেপ এবং সম্পত্তি নষ্ট করার খবর পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।”
প্রাথমিক তদন্ত এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, পাটনার অন্য একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খান স্যার বলেন, “পাশের একটি কোচিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কিছু অসামাজিক ব্যক্তি আমাদের প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়, নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করে এবং গুলিও চালায়। তাদের মূল সমস্যা হলো, আমরা কীভাবে এত কম খরচে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছি এবং প্রতি বছর হাজার হাজার সফল ফলাফল এনে দিচ্ছি।”
তিনি সম্প্রতি প্রকাশিত বিহার পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলের কথাও উল্লেখ করেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, শারীরিক হামলা ও ভাঙচুরের প্রমাণ মিলেছে বটে, কিন্তু বর্তমানে উপলব্ধ সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে গুলিচালনার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।