বারামতিতে ফের বিমান দুর্ঘটনা, অজিত পাওয়ার ট্র্যাজেডির পর বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ
নয়াদিল্লিঃ
সৌভাগ্যবশত, বিমানে থাকা প্রশিক্ষণরত পাইলট দুর্ঘটনার আগে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন, ফলে আরেকটি বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিমানটি রেডবার্ড এভিয়েশনের ফ্লাইট ট্রেনিং অর্গানাইজেশনের অন্তর্গত ছিল। নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারামতির গোজুবাভি গ্রামের কাছে বিমানটি হার্ড ল্যান্ডিং করে বলে জানা যায়। খবর পাওয়ার পরই জরুরি পরিষেবা ও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।
সন্দীপ গিল নিশ্চিত করেছেন, বিমানটি একটি প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিচ্ছিল, সেই সময়ই দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গেছে, প্রশিক্ষণরত পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনা আবারও বরামতির বিমান চলাচল ও বিমান নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কারণ, কয়েক মাস আগেই অজিত পাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত একটি লিয়ারজেট ৪৫ দুর্ঘটনার ঘটনা মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন তুলেছিল এবং বেসরকারি বিমান নিরাপত্তা নিয়ে বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল।ওই লিয়ারজেট দুর্ঘটনাটি ২৮ জানুয়ারি মুম্বাই থেকে বরামতির উদ্দেশ্যে একটি চার্টার ফ্লাইট চলাকালীন ঘটেছিল। তদন্ত এখনও চলছে।
এদিকে রোহিত পাওয়ার আগেই অজিত পাওয়ার বিমান দুর্ঘটনার তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্তে তেমন কোনও নির্দিষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যথাযথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না।অন্যদিকে, দেবেন্দ্র ফড়নবী আগেই অমিত শাহকে চিঠি লিখে অজিত পাওয়ার বিমান দুর্ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন।
বরামতিতে এই নতুন বিমান দুর্ঘটনার পর ফ্লাইট ট্রেনিং সংস্থাগুলির তদারকি, বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক বিমান নিরাপত্তা বিধি আরও কঠোর করার দাবি জোরালো হতে পারে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, পাইলটের ভুল, নাকি পরিচালনাগত ব্যর্থতা— সব দিকই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
যদিও এবার কোনও প্রাণহানির খবর নেই, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে বরামতিতে একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও বিমান বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।