কাশ্মীরের সীমান্তে নানা পাটেকরের স্বপ্ন, তাঁর অনুপস্থিতিতে পথ দেখাবে কে?

Story by  atv | Posted by  Aparna Das • 13 h ago
কাশ্মীরের সীমান্তে নানা পাটেকরের স্বপ্ন, তাঁর অনুপস্থিতিতে পথ দেখাবে কে?
কাশ্মীরের সীমান্তে নানা পাটেকরের স্বপ্ন, তাঁর অনুপস্থিতিতে পথ দেখাবে কে?
 
মালিক আসগর হাশমি 

৭৫ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, গোয়ায় নিজের বাড়িতে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায়। এরপর তাঁকে মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা সকাল প্রায় ৫টা ২০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাঁকে বাঁচাতে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তাঁর মৃত্যুর খবর তাঁর ছেলে মালহার পাটেকরও নিশ্চিত করেছেন।

নানা পাটেকরের চলে যাওয়া শুধু বলিউড ও মারাঠি সিনেমার জন্যই বড় ক্ষতি নয়। তাঁর ব্যক্তিত্বের এমন একটি দিকও ছিল, যা পর্দার বাইরে দেখা যেত। কৃষকদের সাহায্য থেকে শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়ন, বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। কাশ্মীরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষা এবং স্থানীয় পরিবারগুলিকে স্বনির্ভর করে তোলার তাঁর প্রচেষ্টাও সেই ভাবনারই অংশ ছিল। তাঁর মৃত্যুর পর এখন প্রশ্ন উঠছে, তাঁর সংগঠনের কাশ্মীর অভিযান এবার কোন পথে এগোবে।
 
পুণেতে NAAM-এর দফতরে ছেলে মালহারের সঙ্গে নানা পাটেকর
 
হিন্দি সিনেমায় ‘প্রহার’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘পরিন্দা’, ‘অব তক ছাপ্পন’-সহ একাধিক ছবিতে স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য নানা পাটেকর পরিচিত। মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর প্রভাব ছিল গভীর। তবে তাঁর পরিচয় শুধু একজন অভিনেতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ২০১৫ সালে অভিনেতা মকরন্দ অনাসপুরের সঙ্গে তিনি নাম ফাউন্ডেশন শুরু করেন। সংগঠনটির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মহারাষ্ট্রের খরাপ্রবণ এলাকায় কৃষক ও তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা। নাম ফাউন্ডেশনের সরকারি ওয়েবসাইটেও নানা পাটেকরকে প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
সময়ের সঙ্গে এই উদ্যোগের পরিধি বাড়তে থাকে। কাশ্মীরও সেই সম্প্রসারণের অংশ হয়ে ওঠে। এখানে নানা পাটেকর ও নাম ফাউন্ডেশন ভারতীয় সেনার সঙ্গে যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি বসবাসকারী শিশুদের শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে কাজ শুরু করে। উত্তর কাশ্মীরের গগ্গর হিল এলাকা থেকে এই অভিযানের সূচনা হয়। নাম ফাউন্ডেশন ও সেনার সহযোগিতায় গগ্গর হিল প্রাইমারি স্কুলের পুনর্নির্মাণ করা হয়। শিশুদের পড়াশোনার সামগ্রী ও ইউনিফর্মও দেওয়া হয়। নাম ফাউন্ডেশন ও সেনার এই উদ্যোগের উল্লেখ আগে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনেও পাওয়া গেছে।
 
এই এলাকাটি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে যাওয়া নিয়ন্ত্রণরেখার অত্যন্ত কাছাকাছি। এই ধরনের এলাকায় শিক্ষা শুধু স্কুলের চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনও বিষয় নয়। একটি উন্নত স্কুল মানে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, নিয়মিত পড়াশোনা এবং ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনাও। মালহার পাটেকরের মতে, গগ্গর হিল প্রাইমারি স্কুলের ব্যাপক সংস্কারের উদ্দেশ্যই ছিল স্থানীয় শিশুদের জন্য আরও উন্নত, নিরাপদ ও সুবিধাজনক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা।
 
 কাশ্মীরে তাঁর সামাজিক কাজ
 
নাম ফাউন্ডেশনের পরিকল্পনা শুধু স্কুল সংস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার দিকেও কাজ করছিল সংস্থাটি। কুপওয়াড়া জেলার বোনিয়ার এলাকায় সেনার সহযোগিতায় একটি ভোকেশনাল সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। সেখানে যুবকদের আতিথেয়তা, বেকারি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সেলাইয়ের মতো দক্ষতা শেখানোর প্রস্তুতি চলছিল। উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্ট, স্থানীয় যুবকদের এমন দক্ষতা দেওয়া, যার মাধ্যমে তাঁরা চাকরি খুঁজে নিতে পারেন অথবা নিজেদের ছোট ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
 
নাম ফাউন্ডেশনের হয়ে এই অভিযানটির দেখভাল করা গণেশ থোরাত শিক্ষাকে সামাজিক পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, উন্নত শিক্ষার পরিবেশ শিশুদের সঠিক দিশা দেখাতে সাহায্য করে। তাঁর পরিকল্পনায় স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভাবনাটি ছিল, প্রাথমিক সাহায্য পাওয়ার পর স্থানীয় সম্প্রদায়ই যেন এই প্রকল্পগুলির নজরদারি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে পারে।
 
গত প্রায় দুই বছর ধরে গণেশ থোরাত গগ্গর হিল প্রাইমারি স্কুল এবং আশপাশের গ্রামগুলির উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মতে, গ্রামবাসীদের আচরণ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় মানুষ তাঁকে কখনও বহিরাগত বলে মনে করতে দেননি। ভিন্ন রাজ্য, জাতি বা ধর্মের দূরত্বের বদলে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে তিনি পেয়েছেন আপনজনের মতো ব্যবহার। 
 
কাশ্মীরে নানা পাটেকরের উন্নয়ন মূলক কাজ
 
এই অভিযানের প্রভাব আশপাশের এলাকাতেও দেখা যেতে শুরু করে। থোরাতের মতে, বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েত নিজেদের গ্রামেও একই ধরনের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য নাম ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাঁদের কাছে ১৪টি আবেদন জমা পড়েছিল বলেও জানানো হয়। সংস্থাটি কয়েকটি স্কুলে শৌচাগার নির্মাণের উপরও জোর দেয়। এর সরাসরি সম্পর্ক ছিল ছাত্রীদের শিক্ষার সঙ্গে। গ্রামীণ এলাকায় স্কুলে পর্যাপ্ত ও নিরাপদ শৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকা অনেক সময় মেয়েদের পড়াশোনার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
 
কাশ্মীরে নাম ফাউন্ডেশনের পরিকল্পনা বারামুলা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করারও ছিল। এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য এলাকায় পৌঁছনোর কথা বলা হয়েছিল। এই কাজের জন্য কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বা সিএসআর ফান্ড থেকে সহযোগিতা সংগ্রহের পরিকল্পনাও ছিল। উদ্দেশ্য ছিল স্কুলগুলির পরিকাঠামোর পুনর্নির্মাণ এবং স্থানীয় শিশুদের জন্য উন্নত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।
 
কাশ্মীরের সঙ্গে নানা পাটেকরের এই যোগসূত্র হঠাৎ তৈরি হয়নি। তাঁর জীবনে ভারতীয় সেনার সঙ্গে যুক্ত আরও একটি আলাদা অধ্যায় রয়েছে। নানা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের সময় তিনি ভারতীয় সেনার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন। এই অভিজ্ঞতাই উপত্যকার সঙ্গে তাঁর আবেগের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কুপওয়াড়া, বারামুলা ও সোপোরের মতো এলাকায় সেনার সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন।
 
কাশ্মীরে নানা পাটেকরের উন্নয়ন মূলক কাজ
 
নানা পাটেকর সেনার মরাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রি-র সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তাঁর সামরিক অভিজ্ঞতার উল্লেখ তাঁর জনজীবনের নানা কথায় একাধিকবার উঠে এসেছে। কার্গিল যুদ্ধের সময় তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজের অনুমতি নিয়ে তিনি সেনার সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তবে তিনি সরাসরি কোনও যুদ্ধাভিযানে অংশ নেননি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সেনার কুইক রিঅ্যাকশন টিমের সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন।
 
সেনার প্রতি নানার সম্মান শুধু কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন সময়ে তিনি সেনা ও পুলিশকর্মীদের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছেন। একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, কর্তব্যরত কোনও পুলিশকর্মীকে দেখলে অনেক সময় তিনি গাড়ি থামিয়ে তাঁর খোঁজখবর নেন। তাঁর মতে, এই ধরনের ছোট ছোট আচরণও কর্তব্যরত জওয়ানদের মনে আপনজনের অনুভূতি তৈরি করতে পারে।
 
মহারাষ্ট্রেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন দেখা গেছে। কৃষকদের সমস্যাকে সামনে রেখেই নাম ফাউন্ডেশনের সূচনা হয়েছিল। সংগঠনটি খরাপ্রবণ এলাকায় জল সংরক্ষণ, জল সঞ্চয় এবং গ্রামীণ উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজ করেছে। নাম ফাউন্ডেশনের সরকারি নথিতেও কৃষক কল্যাণে সংস্থার কাজ এবং নানা পাটেকরের ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে।
 
কাশ্মীরে নানা পাটেকরের উন্নয়ন মূলক কাজ
 
একটি সাক্ষাৎকারে নানা জানিয়েছিলেন, শুরুর দিনগুলিতে কৃষক পরিবারগুলিকে সাহায্য করার জন্য তিনি বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ছিল, শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য দিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। কৃষকদের আত্মহত্যার পেছনে জলের অভাব, কৃষিক্ষেত্রের সংকট এবং গ্রামীণ অর্থনীতির মতো সমস্যাগুলি রয়েছে। তাই ত্রাণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের দিকেও নজর দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
 
পরবর্তীকালে কাশ্মীরের অভিযানেও সেই ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়। এখানে শুধু স্কুলের ভবন মেরামতের কথা ছিল না। শিশুদের পড়াশোনা, পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি এবং যুবকদের দক্ষতা প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাকেও একইসঙ্গে রাখা হয়েছিল। নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর তাঁর এই কাজের কথা মনে করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন অভিনেতা হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তাকে প্রায়ই তাঁর সিনেমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে দেখা হয়। কিন্তু তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ক্যামেরার বাইরেও। কৃষকদের সঙ্গে কাজ করা, গ্রামীণ এলাকায় জল ও শিক্ষার সমস্যা নিয়ে নজর দেওয়া এবং কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের শিশুদের জন্য উন্নত স্কুল তৈরির চেষ্টা, সবই ছিল তাঁর বৃহত্তর ভাবনার অংশ।
 
কাশ্মীরের গগ্গর হিল প্রাইমারি স্কুলের পুনর্নির্মাণ এই অভিযানের একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে ওঠে। সেনা ও নাম ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে সম্পন্ন এই কাজের উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় শিশুদের উন্নত শিক্ষা দেওয়া। আগে প্রকাশিত প্রতিবেদনেও এই স্কুলের সংস্কার এবং পড়ুয়াদের পড়াশোনার সামগ্রী দেওয়ার তথ্য উঠে এসেছিল।
 
সেনার সঙ্গে নানা পাটেকর 
 
নানা পাটেকর আর নেই। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর প্রশ্ন উঠছে, তাঁর স্বপ্নের এই কাজ কতদূর এগোবে? যে কোনও সামাজিক উদ্যোগের প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয় তার প্রতিষ্ঠাতার অনুপস্থিতির পর। স্থানীয় সম্প্রদায়, সেনা, নাম ফাউন্ডেশন এবং সহযোগী সংস্থাগুলি যদি এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যায়, তাহলে সীমান্তবর্তী গ্রামের শিশুদের জন্য এর গুরুত্ব আরও বাড়তে পারে।
 
নানার ছবিতে প্রায়ই দেখা যেত, তাঁর চরিত্র ব্যবস্থা, সংগ্রাম এবং মানুষের দুর্বলতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বাস্তব জীবনেও তিনি যেন বেছে নিয়েছিলেন তেমনই কিছু লড়াই। পার্থক্য শুধু একটাই, এবার সামনে কোনও সিনেমার খলনায়ক ছিল না। সামনে ছিল কৃষকের সংকট, গ্রামের দারিদ্র্য, জলের অভাব, শিক্ষার অসুবিধা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার শিশুদের সীমিত ভবিষ্যৎ।
 
সম্ভবত সেই কারণেই নানা পাটেকরের বিদায়ের সময় তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সামাজিক কাজগুলিকেও স্মরণ করা জরুরি। একজন অভিনেতা হিসেবে তিনি দর্শকদের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছেন। আর একজন সমাজকর্মী হিসেবে তিনি পৌঁছনোর চেষ্টা করেছেন সেইসব এলাকায়, যেখানে ক্যামেরার আলো তুলনামূলকভাবে কম পৌঁছয়।
 
কাশ্মীরের গগ্গর হিল থেকে মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ, তাঁর সামাজিক যাত্রার বার্তা ছিল সরল। পরিবর্তন শুধু বড় বড় বক্তৃতার মাধ্যমে আসে না। কখনও আসে একটি স্কুল সংস্কারের মাধ্যমে। কখনও কোনও শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমে। কখনও কোনও যুবককে একটি দক্ষতা শেখানোর মাধ্যমে। আবার কখনও কোনও গ্রামকে এই বিশ্বাস দেওয়ার মাধ্যমে যে, তারা একা নয়।
 
নানা পাটেকরের মৃত্যু ভারতীয় সিনেমার জন্য এক বড় ক্ষতি। তবে কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে শিক্ষা ও স্বনির্ভরতার জন্য শুরু করা তাঁর উদ্যোগ তাঁর জনজীবনের এমন এক উত্তরাধিকার, যা তাঁর অনুরাগী ও সহযোগীরা ভবিষ্যতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।


শেহতীয়া খবৰ