ইবোলা আতঙ্কে সতর্ক ভারত, কঙ্গো-উগান্ডা সফরে জারি কড়া পরামর্শ

Story by  atv | Posted by  Aparna Das • 14 h ago
ইবোলা আতঙ্কে সতর্ক ভারত, কঙ্গো-উগান্ডা সফরে জারি কড়া পরামর্শ
ইবোলা আতঙ্কে সতর্ক ভারত, কঙ্গো-উগান্ডা সফরে জারি কড়া পরামর্শ
 
নয়া দিল্লি

কঙ্গো, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে অবস্থানরত বা ভ্রমণরত ভারতীয় নাগরিকদের স্থানীয় স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার এবং অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই দেশগুলোতে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের খবর সামনে আসার পর রবিবার এই সতর্কতা জারি করা হয়।
 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ইতিমধ্যেই পরিস্থিতিটিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগজনক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা (PHEIC) হিসেবে ঘোষণা করেছে।
 
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জারি করা পরামর্শে বলা হয়েছে, “কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং অন্যান্য প্রভাবিত দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভারতীয় নাগরিকদের কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে অতি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
 
মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ভারতে এখনও পর্যন্ত বুন্ডিবুগ্যো ভাইরাসজনিত ইবোলার কোনও সংক্রমণের ঘটনা ধরা পড়েনি।
 
আফ্রিকা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়া বুন্ডিবুগ্যো স্ট্রেন ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে মহাদেশীয় জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
 
এছাড়াও, ২২ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আইএইচআর জরুরি কমিটি সীমান্ত ও প্রবেশপথে নজরদারি জোরদারের জন্য অস্থায়ী নির্দেশিকা জারি করেছে। এর মাধ্যমে বুন্ডিবুগ্যো ভাইরাসে আক্রান্ত অঞ্চল থেকে আগত অজ্ঞাত জ্বরের উপসর্গযুক্ত যাত্রীদের শনাক্ত, পরীক্ষা, রিপোর্ট ও চিকিৎসার আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ওইসব অঞ্চলে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানোরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
 
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ সুদান-সহ কঙ্গো ও উগান্ডার সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা অত্যন্ত বেশি। ইবোলা একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রক্তক্ষরণজনিত জ্বর, যা বুন্ডিবুগ্যো ভাইরাসের সংক্রমণে হয়।
 
এই রোগ অত্যন্ত প্রাণঘাতী এবং এর মৃত্যুহারও অনেক বেশি। বর্তমানে বুন্ডিবুগ্যো স্ট্রেনজনিত ইবোলা প্রতিরোধ বা চিকিৎসার জন্য কোনও অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি এখনও পর্যন্ত নেই।